বিহান - জেরী চন্দ


বিহান


হাজার চিঠি চিৎকার পাঠানো হয়েছে

উপত্যকার শিশুদের কথা ভেবে,

ঈশ্বর মৃদু হেসেছেন ঘুমের ঘোরে-

সেদিন থেকে ঈশ্বরকে ঈর্ষা করেছে উপত্যকার শিশুরা


রোদমাখা চেহারা নিয়ে,

জন্ম নিয়েছে এইচআইভি পসিটিভ শিশু,

বড়দিনের ভোরে

ক্রুশবিদ্ধ পায়ে হিমশীতল কালো রক্ত

আর দেখা যাচ্ছে না

এবারে আমি সব অভিজ্ঞতা জলাঞ্জলি দিয়ে

একটি খাদে নেমে যাবো


 হাঁসের মাংস পুড়াচ্ছে কতগুলি উপজাতি বালক

আমার কোনো বাড়ি নেই

আর থাকলেও

সেখানে আমাকে আর থাকতে দেওয়া হবে না

আমি অচেনা মানুষ

অপূর্ব অজস্র অচেনা মানুষের সঙ্গে বসে ভাত খেয়েছি বহুবার!


ওরা এখন অক্লান্ত ঘুমে ঘুমিয়ে আছে

আমি হাঁটতে হাঁটতে রাস্তা হারাই

আমাকে থ্রেট দেওয়া হয়েছে

যদি পারি,অনেক দূরে চলে যেতে পারি!

যদি যেতে চাই সকল অচেনা মানুষের সঙ্গে

আমি চলে যেতে পারি

গিয়েছিলাম, গিয়েছিলাম তো

আধ রাস্তায় ওরা ছায়া হয়ে গেছে

কেউ হয়ে গেছে আরেকটা গলি


কোথাও যেনো হারিয়ে যাই

হাসপাতালের ছাদে মেলা কাপড়ের মধ্যে হিমশিম

খায় দু একটা কাকপাখি

ঘুমন্ত রোগীদের ঘুমে স্বপ্নের মতো জেগে থাকে

ঔষধের রেশ


হাসপাতালের ছাদে চুরি করে উঠে গেলেও

বেশিক্ষন দাঁড়ানো যায় না

মরা রক্তের গন্ধ নাকে লাগে বলে

আমি বমি করি

তারপর

চিঠি পাঠাই

কখনো

চিৎকার

কোনো প্রত্যুত্তর আসে না

নিঃশ্বব্দে পাতা হীন বন অপরিচিত কত আপন

বনের অনেক গভীরে চলে গেলেও দূর দূরান্ত মনে হয় অহর্নিশ

চোখের সামনে নেমে যায় সিঁড়ি মানসিক হাসপাতালের

মেজাজহীন দরজা...

Comments

Popular Posts